স্বামী গুলিতে নিহত : চেয়ারম্যান হচ্ছেন স্ত্রী শেফালী

shefali-20211126091444.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল লতিফের স্ত্রী শেফালী আক্তার চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হয়েছেন। তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন তিনি। শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি  নিশ্চিত করেছে সদর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা স্বপন কুমার সাহা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ছিলো চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। ওই দিন বানিবহ ইউনিয়নের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নিহত লতিফের স্ত্রী শেফালী আক্তার।

শেফালী আক্তার বানিবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। তার স্বামী আবদুল লতিফ মিয়া ছিলেন বানিবহ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবারের নির্বাচনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীও ছিলেন। ১১ নভেম্বর রাতে জনসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন।

আরও পড়ুন : অটোপাসে হতাশ জুবায়ের পেলেন দেশসেরা ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ

রাতেই ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় স্ত্রী শেফালী আক্তার বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ এ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া পাঁচজন এজাহারভুক্ত এবং দুজন সন্দেহভাজন আসামি।

নিহত লতিফের স্ত্রী শেফালী আক্তার জানান, এই নির্বাচনে দল থেকে আমার স্বামীকে প্রার্থী করতে চেয়েছিল। ইউনয়নে তার অনেক জনপ্রিয়তা দেখে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরে আমার স্বামীর মৃত্যুর পর দল থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর কিছু স্বপ্ন ছিলো এই ইউনিয়নকে নিয়ে, এই ইউনিয়নের মানুষের নিয়ে। আমি নির্বাচিত হলে স্বামীর স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাব। এই জন্যে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আমার স্বামীকে যারা হত্যা করেছে তাদের কঠিন শাস্তির দাবি জানায়।

আরও পড়ুন : ৩৩ রানে দুই ওপেনারের বিদায়

রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার সাহা  বলেন, তফসিল অনুযায়ী এই নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিলো গত বৃহস্পতিবার। ওই দিন বানিবহ ইউনিয়নের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে শেফালী আক্তার মনোনয়ন জমা দেন। তবে শেফালী আক্তারকে এখনি বিজয়ী বলা যাবে না। কারণ ওই মনোনয়ন যাচাই-বাছাই এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে পরে তাকে বিজয়ী বলা যাবে।

চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর রাজবাড়ী সদর উপজেলার ১৪ ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬২ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৪৯ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়ন বাছাই ২৯ নভেম্বর ও প্রত্যাহার ৬ ডিসেম্বর।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top