বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হলেন রাফেজা

image-491632-1637915720.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাফেজা বেগম বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাফেজা বেগম ছাড়া এ ইউনিয়নে অন্য কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

এদিন উপজেলার সাত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২১ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন রাঁধাগঞ্জ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ভীম চন্দ্র বাগচী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান ও হালিম শিকদার। কান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তুষার মধু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মান্নান শেখ।

শুয়াগ্রাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী যজ্ঞেশ্বর বৈদ্য অনুপ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান ও জাহিদুল ইসলাম। পিঞ্জুরী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আমিনুজ্জামান খান মিলন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিউল হাওলাদার, কামরুল ইসলাম ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাইদ শিকদার। বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান হাওলাদার মানিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. লিপন মিয়া, মো. হান্নান মোল্লা ও আশেক রাতুল। সাদুল্লাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সমর চাঁদ মৃধা, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্রনাথ জয়ধর, জগদীশ চন্দ্র বাড়ৈ ও বিমল শিকদার।

আরও পড়ুন :ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প হওয়ার কারণ কী?

এ ছাড়া আমতলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রাফেজা বেগম এককভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এই ইউনিয়নে অন্য কোনো প্রার্থী মনোনয়পত্র জমা দেননি।

অপরদিকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৯৩ জন ও সাধারণ আসনে ২৯৫ জন মেম্বর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাফেজা বেগম বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। এরই পুরস্কার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। এ জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, আমি ছাড়া আমতলী ইউনিয়নে অন্য কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেননি। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনগনের সেবা করতে চাই।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার খায়রুল ইসলাম বলেন, যেহেতু আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে রাফেজা বেগম ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি, তাই তাকে জয়ী বলা যেতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top