যেভাবে বুঝবেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

135648_bangladesh_pratidin_114.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট :  ক্ষতিকর প্যাথোজেন ও অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে ইমিউন সিস্টেম সাহায্য করে। সংক্রামক ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। একজন ব্যক্তির ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল হওয়ার পিছনে রয়েছে কিছু গুরুতর অসুস্থতা।

ধূমপান, অ্যালকোহল পান করা, দুর্বল পুষ্টি, মানসিক চাপ, স্থূলতা, বার্ধক্য, এইচআইভি, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বা করোনাভাইরাসে মতো চিকিত্‍সা পরিস্থিতিতে বা স্টেরয়েড, কেমোথেরাপির মতো ওষুধ খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। ইমিউন সিস্টেম যে দুর্বল তার উপসর্গগুলি কী কী-

ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা ও অন্যান্য সংক্রমণ- প্রাপ্তবয়স্কদের বছরে ২ থেকে ৩বার সর্দি বা সংক্রমণজনিত রোগ বাধে। সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে আবার সেরেও ওঠে। এমনটা যদিও স্বাভাবিক ঘটনা। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের মধ্যে বারবার ঠান্ডা লেগে সর্দি ও কাশি হওয়া, অন্যান্য সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

হজমের সমস্যা- অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, বেশিরভাগ রোগের মূলে রয়েছে দুর্বল পাচনতন্ত্র। দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ ও উপসর্গ এবং হজমের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলাভাব ইত্যাদি।

আরও পড়ুন : পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

ক্ষত নিরাময় হতে বিলম্ব হওয়া- ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হলে ক্ষত, প্রদাহ, আঘাত বা অস্ত্রোপচারের পরে শ্রতগুলি আরোগ্য হতে বেশি সময় নেয়। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

সহজেই ক্লান্তি বোধ করা- দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলে ক্লান্তি বোধ করা স্বাভাবিক। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া দরকার। তবে বিশ্রাম নেওয়ার পরও যাদের অলস ভাব বা ক্লান্তিভাব দেখা যায়, তাদের চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত।

ত্বকের সংক্রমণ- ত্বক হল শরীরের একটি প্রাচীর। দুর্বল ইমিউন সিস্টেম ত্বকের বাধাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যার ফলে ঘন ঘন ত্বকে ফুসকুড়ি, জ্বালাভাব, সংক্রমণ বা শুষ্ক ত্বক হয়।

ব্লাড ডিসঅর্ডার এবং ব্লাড ক্যান্সার- কিছু রক্তের ব্যাধি দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে নির্দেশ করে, যেমন অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া (রক্তক্ষরণ ব্যাধি), রক্ত ​​জমাট বাঁধা এবং রক্তের ক্যান্সার (লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাইলোমা)।

এছাড়া অঙ্গের প্রদাহ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। আঘাত, টক্সিন, প্যাথোজেন, ট্রমা, তাপ ইত্যাদির কারণে অঙ্গ প্রদাহ হতে পারে। শরীরের টিস্যুতে যে কোন আঘাতের ফলে প্রদাহ হয় তা দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top