জলমা ইউপি নির্বাচনে ৯২ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

dfasjhg.jpg

জলমা ইউনিয়ন পরিষদ।

শাওন হাওলাদার, বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : সারা দেশে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ১নং জলমা ইউনিয়নে উৎসব মূখর পরিবেশে একাধিক চেয়ারম্যান ও সাধারণ এবং সংরক্ষিত পদে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন পত্র জমা নেওয়া শুরু হলে প্রতিদিন একাধিক প্রার্থী ঢাঁক-ঢোঁল বাজিয়ে কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে স্থানীয় উপজেলা নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ সাত্তার’র কাছে জমা দেওয়া শুরু করে।

বৃহষ্পতিবার ছিলো মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ছিল শেষ দিন। শেষ দিনে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন।

এরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যথাক্রমে বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিক, সাবেক একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আঃ গফুর মোল্যা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপ গোলদার, সমাজসেবক এড.প্রসেনজিৎ দত্ত, আওয়ামীলীগ নেতা নারায়ন রায়, ব্যবসায়ী বিদার শিকদার, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মোঃ মিজানুর রহমান এলাহী,ইসলামি আন্দোলনের হাতপাখা নিয়ে মোঃ শফিউল ইসলাম ও নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি বিধান রায়।

ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডে সাধারণ ও সংরক্ষিত পদে সর্বমোট ৯২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে সাধারন পদে ৭৯ জন ও সংরক্ষিত পদে ১৩ প্রার্থী।

এ ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৫০ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৬৯৯ জন পুরুষ ও ২৫ হাজার ৪৮০ জন নারী ভোটার।

আগামী ২৯ নভেম্বর প্রার্থীতা বাঁছাই এবং ৬ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ। জনসংখ্যা ও ভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে এ ইউনিয়ন অনেক বড়।

এ ইউনিয়নে বটিয়াঘাটা, হরিণটানা, ও লবনচরা মিলে তিন তিনটি পুলিশ থানা। এর মধ্যে একটি জেলা পুলিশ ও দুইটি কেএমপি পুলিশ দ্বারা শাসিত। তবে প্রশাসনিক কর্মাদি, দলিল রেজিষ্ট্রি,খাজনা ও নামপত্তন সহ অন্যান্য সকল কিছুই উপজেলা পরিষদ এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনাধীন।

উপজেলার স্থানীয় এ ইউনিয়ন নির্বাচনে এবারও মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮ টি। এর মধ্যে লবনচরা থানা পুলিশের আওতাধীন এলাকার মধ্যে পড়েছে ১১ টি কেন্দ্র। বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের আওতাধীন এলাকার মধ্যে পড়েছে ৬ টি কেন্দ্র এবং হরিণটানা থানা পুলিশ এলাকার মধ্যে পড়েছে ১ টি কেন্দ্র।

চতুর্থ ধাপের এ নির্বাচন আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সারাদেশে ওইদিন এইচ,এস,সি পরীক্ষা থাকায় নির্বাচন কমিশন তারিখ পরিবর্তন করে আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ হবে বলে ঘোষণা দেয়।

এদিকে তপশীল ঘোষণার সেই বছর খানেক আগের থেকেই সকল পদের প্রার্থীরা আগাম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।কেউ কারো থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও গনসংযোগ থেকে পিঁছিয়ে থাকতে রাজী নয়।বিয়ে,আঁকিকা,সুন্নতে খৎনা সহ এমনকি কেউ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির স্বজনদেরও আগে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। চাওর করছেন সমব্যাথায় ব্যথিত ভাগীদার হতে। সব মিলিয়ে বিভাগীয় শহরের প্রবেশদ্বার ও জনসংখ্যা সহ সকল ক্ষেত্রে অন্যান্য ইউনিয়নের দিক থেকে এগিয়ে থাকা এ ইউনিয়নে নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ভোটার এবং সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচনী আমেজ তোড়-জোড়ে বইতে শুরু করেছে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে কে দখল করতে যাচ্ছেন জনগুরুত্বপূর্ন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের চেয়ার মসনদ তা কেবল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা মাত্র।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top