আপিল বিভাগের রায়

অসৎ উদ্দেশ্যে আসামিকে জামিন দেন কামরুন্নাহার

112413kalerkantho_pic.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : স্থগিতাদেশ থাকার পরও অসৎ উদ্দেশ্যে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বহুল আলোচিত-সমালোচিত বিচারক মোসা. কামরুন্নাহার। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ কথা বলা হয়েছে। রায়ে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের কোনো ফৌজদারি আদালতে তিনি আর ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না। এ জন্য সংবিধান অনুযায়ী তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হলো।

রায়ে আপিল বিভাগ বলেন, বিচারক মোসা. কামরুন্নাহারকে যখন বলা হয় কেন জামিন দিলেন, তখন তিনি বলেন যে তিনি জানতেন না। কিন্তু নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর আগে ওই ট্রাইব্যুনাল একাধিকবার আসলাম শিকদারের জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

আরও পড়ুন : আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়েও কপিলের শোতে ঢুকতে পারলেন না স্মৃতি ইরানি

আপিল আদালত গত সোমবার ‘রাষ্ট্র বনাম আসলাম সিকদার’ মামলায় স্থগিতাদেশ থাকার পরও জামিন দেওয়ার ব্যাখ্যা শুনতে বিচারক মোসা. কামরুন্নাহারকে তলব করেছিলেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তাঁর বিষয়ে রুদ্ধদ্বার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আদালত মোসা. কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা ‘সিজ করা হয়েছে’ মর্মে আদেশ দেন। গতকাল বুধবার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

মোসা. কামরুন্নাহার গত ১১ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এ থাকার সময় বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার রায়ে বিতর্কিত পর্যবেক্ষণের পর ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। এরই প্রেক্ষাপটে ১৪ নভেম্বর সকালে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে বিচারকাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt
scroll to top