ভিয়েতনামে করোনা ঠেকাতে কুকুর-বিড়াল হত্যা

dog-2-20211014121841.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : ভিয়েতনামে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করেছে। তাই দেশটির অনেক বাসিন্দা যেসব শহরে সংক্রমণ বাড়ছে সেখান থেকে কম সংক্রমণের এলাকায় চলে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি দেশটির লং অ্যানে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে ওই শহরের এক দম্পতি মোটরবাইকে করে চা মাউ প্রদেশের খান হাং এলাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। খান হাংয়ের পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলো তাদের পোষা ১৫টি কুকুর। তিন আত্মীয় এবং ওই আত্মীয়দের তিনটি কুকুর ও একটি বিড়াল।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই শহরে পৌঁছানোর পর ওই দম্পতি ও তাদের তিন আত্মীয়ের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ওই প্রাণীগুলোকে মেরে ফেলে। এসব প্রাণী থেকে হয়তো করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই এ কাজ করা হয়।

ফাম মিন হাং নামে ৪৯ বছর বয়সী ওই রাজমিস্ত্রি বলেন, এই ঘটনার পর আমি এবং আমার স্ত্রী খুব কেঁদেছি। আমরা ঘুমাতে পারছি না। আমার এটা বিশ্বাস হচ্ছে না যে সত্যিই এমন কিছু ঘটেছে। আমরা আমাদের বাচ্চাদের (কুকুরগুলো) বাঁচাতে কোনও কিছুই করতে পারলাম না।

তিনি আরও বলেন, আমি এবং আমার স্ত্রী ১৫টি কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। চা মাউ প্রদেশে প্রবেশের পর এক স্বেচ্ছাসেবীকে দু’টি কুকুর দিয়ে দেই। আর একটি পথিমধ্যেই মারা যায়। আমাদের মোট ১২টি কুকুর ছিলো।

এদিকে ১৫টি কুকুর এবং একটি বিড়ালকে হত্যার ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এ ধরনের কাজ বন্ধ করতে একটি পিটিশনের পক্ষে দেড় লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top