ধামরাইয়ে নৌকা প্রতীক না পাওয়াদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা

133219unnamed-26.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকার ধামরাইয়ে ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র সূতিপাড়া ইউনিয়ন বাদে ১৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মনোনয়ন বোর্ড প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীকের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সূয়াপুর, কুশুরা, বালিয়া, আমতা, যাদবপুর, নান্নার, রোয়াইলসহ ৯টি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানরা দলীয় প্রতীকের মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন। এর মধ্যে অনেকে দল থেকে ইস্তফা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেছেন।

জানা গেছে, উপজেলার সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান সোহরাবের পরিবর্তে দলীয় মনোনয়ন পান ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কফিল উদ্দিন। বালিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন ও উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতির পরিবর্তে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ মজিবুর রহমানকে, নান্নার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেনের পরিবর্তে সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাসার বাদশাকে, যাদবপুর ইউনিয়নের বরখাস্তকৃত উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজুর পরিবর্তে ইউনিয়নের সভাপতি আবুদল মজিদকে, কুশুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেনের পরিবর্তে স্থানীয় সংসদ সদস্য বেনজীর আহমদের ভগ্নিপতি নুরুজ্জামানকে দেওয়া হয়েছে দলীয় মনোনয়ন। এরা প্রত্যেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেছেন এবং রীতিমতো নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হাফিজুর রহমান সোহরাব দল থেকে ইস্তফা দিয়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে এ প্রতিবেদক জানিয়েছেন। এমনকি গত মঙ্গলবার ও বুধবার তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। মিজানুর রহমান মিজু জানান, দল মূল্যায়ন না করায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নান্নার ইউপি চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বলেন, যে ব্যক্তি গত নির্বাচনে আমার সঙ্গে পরাজিত হয়েছেন তাকেই আবার এবার মনোনয়ন দিয়েছে মনোনয়ন বোর্ড। দলের এ সিদ্ধান্ত আমার ভোটাররা মেনে নিতে পারেননি। ফলে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু বলেন, দলে থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এরপর যদি কেউ নির্বাচন করে তাহলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top