২ সপ্তাহ সময় পেলেন সেই শিক্ষিকা

baten-20211013143039.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : সিরাজগঞ্জে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে দুই দফায় তদন্ত কমিটি ডাকার পরেও না এসে সময় প্রার্থনা করেন। প্রথমে আর সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত না থাকলেও তিনি বারবার ই-মেইলে আবেদন করায় তদন্ত কমিটি তাকে ২ সপ্তাহ সময় দেয়।

২১ অক্টোবর দুপুর ১টায় উপস্থিত হয়ে তার বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য নতুন সময় বেঁধে দিয়েছে কমিটি। বিষয়টি বুধবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টায়  নিশ্চিত করেছেন রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল।

এর আগে ৩ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ৫ সদস্যের গঠিত তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনারকক্ষে ৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলে।

কিন্তু সেদিন দুপুর ১২টায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন উপস্থিত না হয়ে ১৪ দিনের সময় প্রার্থনা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ৩ দিনের সময় দেয় তদন্ত কমিটি। যা গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ২টায় হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু সেদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত তার জন্য তদন্ত কমিটি অপেক্ষা করলেও তিনি না এসে ই-মেইলের মাধ্যমে নিজের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে ২ সপ্তাহের জন্য সময় আবেদন করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে এই সময় দেওয়া হলো।

তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল  বলেন, শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাকে দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে হিসাব করে ২১ অক্টোবর দুপুর ১টায় আসার জন্য নতুন সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে অনেকেই কেঁদে ফেলেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক বরীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top