‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে গুলি করল কারা, প্রশ্ন রিজভীর

01-rijvi-20220922154235.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট :মুন্সীগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে কারা গুলি করেছে সেই প্রশ্ন রেখেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

রিজভী বলেন, মুন্সীগঞ্জে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পরিকল্পিত গুলিবর্ষণ ও গুরুতর আহত করার পর পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যৌথভাবে বুধবার রাত থেকেই নেতাকর্মীদের বাসা ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব চালাচ্ছে। বিএনপির সমাবেশে পুলিশের ভেতর থেকে খালি গায়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে কারা গুলি করল?

তিনি বলেন, আওয়ামী নেতা মো. মাসুদ, মুসা ও তোফাজ্জলের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের সঙ্গে তিনজন পুলিশ সদস্যসহ একটি দল রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আ. হাইয়ের ভাগনে মো. নিজাম উদ্দিনের শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে তার সুতার ফ্যাক্টরিটি ধ্বংস হয়। এ ঘটনায় আনুমানিক ২ থেকে ২ দশমিক ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

এ সময় সন্ত্রাসী কায়দায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়, যাতে কেউ আগুন নেভাতে না আসে।তিনি আরও বলেন, তাদের অপকর্ম ঢাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : ডিএমপির ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি

মামলায় আসামি করা হয়েছে-মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ, শহর বিএনপির আহ্বায়ক এবাদত হোসেন মানু, সদর থানা বিএনপির সদস্য সচিব মুনির হোসেন ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর হোসেন বাবুলসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে।

আমি বিএনপির পক্ষ থেকে এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।রিজভী বলেন, পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত যুবদল নেতা মো. শাওন, মো. জাহাঙ্গীর ও ছাত্রদল নেতা তারেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমি দলের পক্ষ থেকে তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, আজ আমরা শুনতে পাচ্ছি, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা মুন্সীগঞ্জ সদর ও শহরে মিছিল বের করবে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে, সেই মিছিল থেকে জেলা ও সদর বিএনপির কার্যালয়সহ বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শিল্প-প্রতিষ্ঠানসহ বাড়িতে বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ব্যক্তিকেন্দ্রিক একনায়কতান্ত্রিক শাসনের দুঃসহ পরিণতি এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্রই দৃশ্যমান।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top