তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি পাকিস্তানের আহ্বান

download-1-9.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট  :  আফগানিস্তানে গঠন করা তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মোয়িদ ইউসুফ। আর তা না হলে তিন দশক আগে গ্রুপটির সর্বশেষ সরকারের সময় তৈরি হওয়া অস্থিতিশীলতা ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেন তিনি। এদিকে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর গত বুধবার প্রথম মুখ খুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ন্যায়সংগত সরকার গঠন ও প্রতিশ্রুতি পূরণে তালেবানকে সময় দেওয়া উচিত বলে সিএনএনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন তিনি। খবর এএফপি ও সিএনএনের।

বুধবার ইসলামাবাদে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোয়িদ ইউসুফ। সেই সময় অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মোয়িদ বলেন, আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি যে, বিশ্ব অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার গুরুত্ব উপলব্ধি করুক। আমাদের কাছে, আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাওয়া পরোক্ষ বিষয়, আর সেটাতেই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।

তালেবানের নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্ত নির্ধারণে বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে বিতর্ক চলছে। আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিবেশী পাকিস্তান বারবারই বিশ্বের প্রতি তালেবানকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। ইসলামাবাদ বলছে, আফগানিস্তানে অবিলম্বে মানবিক সহায়তা পাঠানো না হলে দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে।

এদিকে ইমরান খান বলেছেন, ন্যায়সংগত সরকার গঠন এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে তালেবানকে সময় দেওয়া উচিত। বুধবার ইসলামাবাদে ব্যক্তিগত বাসভবন ‘বনি গালা’তে সিএনএনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। ১৫ আগস্ট তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইমরান খানের এটা প্রথম সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকারে ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার দেশের বিপর্যয়কর সম্পর্ক এবং বর্তমান আফগানিস্তান বিষয়ে বাস্তবমুখী সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন।

ইমরান বলেন, আফগানিস্তানে শান্তি এবং স্থিতিশীলতার জন্য সর্বোত্তম উপায় হলো, তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা, তাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার ও নারী অধিকারে উৎসাহিত করা। তালেবান সমগ্র আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এখন যদি তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করতে পারে, সকল পক্ষকে এক কাতারে নিয়ে আসতে পারে; তাহলে আফগানিস্তানে শান্তি ফিরবে। কিন্তু যদি এগুলো না হয়, তাহলে বিশৃঙ্খলা, মানবিক বিপর্যয় ও শরণার্থীর ঢল নামবে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top