বাদল রায়ের নামে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের প্রেসবক্স

stadium-20210915145555.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট  :  বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ চলছে। এই সংস্কার কাজের মধ্যে রয়েছে প্রেসবক্সও। একটি আধুনিক ও উন্নত ফুটবল স্টেডিয়ামের অন্যতম অংশ প্রেসবক্স। সংস্কারের পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সের নামকরণ হবে বাদল রায়ের নামে। আজ (বুধবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি এই ঘোষণা দেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘বাদল দা আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তিনি ফুটবল ছাড়াও আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদসহ অনেক জায়গায় আন্তরিকতার সঙ্গে সময় এবং মেধা দিয়েছেন। তার মতো ব্যক্তিত্বের স্মরণে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে একটি স্থাপনার নামকরণ এসেছে।’

ভিআইপি বক্স, গ্যালারি আরও অনেক অংশের চেয়ে প্রেসবক্সকে বাদল রায়ের নামকরণের পেছনে ব্যাখাও দিয়েছেন মন্ত্রী, ‘একটি স্টেডিয়ামের অন্যতম সৌন্দর্য্য প্রেসবক্স। বাদল দা’র সঙ্গে সাংবাদিকদের অনেক সখ্যতাও ছিল। সব কিছু বিবেচনা করে আমরা বাদল দা’র নামে প্রেসবক্স নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ক্রীড়া সাংবাদিক, সংগঠকরা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ক্রীড়া সংগঠক ফজলুর রহমান বাবুল প্রেসবক্সের নামকরণের পাশাপাশি মিডিয়া গেটের নামও বাদলের নামে করার অনুরোধ জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে। বাদল রায় প্রেসবক্স না বাদল রায় মিডিয়া বক্স এটি পরবর্তীতে চূড়ান্ত করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও মন্ত্রণালয়।

বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয়ের বাদলের প্রতি এই ভাবনা এবং উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানাই। বাদল সব সময় ফুটবলের সঙ্গেই ছিল। তার নামটি ফুটবলের প্রধান স্টেডিয়ামে থাকবে এটি ভালো লাগছে।’

এর পাশাপশি তিনি আরেকটি অনুরোধ জানান, ‘বাদল তৃণমূলে কাজ করতেন। বাদলের নামে কোনো স্টেডিয়াম বা স্থাপনা নামকরণ হলে সেখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করলে আরও ভালো লাগবে।’

বাদল রায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন ও রাজনীতিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ১৯৭৮ সালে তিনি মোহামেডানে খেলা শুরু করেন। এই সাদা কালো জার্সিতেই তিনি অবসরে যান। খেলা ছাড়ার পর মোহামেডান ক্লাব ও ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আমৃত্যু। বাদলের রাজনৈতিক ক্যারিয়াও বর্ণাঢ্য। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে দাউদকান্দিতে নির্বাচন করেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮১ সালে ডাকসুর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top