গৌরমতি জাতের আমে ৯ লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা

naogaon-20210913195603-1.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট: নওগাঁর পত্নীতলায় বিলম্বিত জাতের গৌরমতি আম চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন চাষি দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। তার এই জাতের আম চাষের সফলতা দেখে এলাকার অনেক চাষি এই আমের বাগান গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলার হাড়পুর মৌজায় প্রায় ৬৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে একটি মিশ্র ফলের বাগান। যেখানে মাল্টা, কমলা ও পেয়ারার পাশাপাশি প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে রয়েছে লেট ভ্যারাইটির গৌরমতি জাতের আম বাগান।

জানা যায়, প্রায় সাড়ে ৬০০ গাছের মধ্যে চলতি বছর প্রায় আড়াই শ গাছে আম উৎপাদিত হয়েছে। জেলায় পর্যায়ক্রমে খিরসাপাত, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, নাগফজলী, আম্রপালি, আশ্বিনা ও বারি-৪ জাতের আম শেষ হয়েছে।

আমচাষি দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী  জানান, যখন বাজারে কিংবা বাগানে আর কোনো আম নেই, তখন গৌরমতি জাতের আম-বাগানে উত্তোলন শুরু করেন চাষিরা। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই আমের মৌসুম ধরা হয়েছে। এ বছর তার বাগানে গৌরমতি জাতের ১০০ মণ আম উৎপাদিত হয়েছে। যা ইতিমধ্যে বাজারজাত শুরু করেছেন।

প্রথম দিকে প্রতি মণ আম ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাঝখানে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় এবং সবশেষ এখন প্রতি মণ আম ১০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারিভাবে গড়ে প্রতি মণ আম ৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সেই হিসাবে চলতি বছর কমপক্ষে ৯ লাখ টাকার আম বিক্রি করার প্রত্যশা করছেন তিনি।

দেলোয়ার আরও জানান, এই আম সুস্বাদু, সুমিষ্ট এবং মৌসুমের সবশেষ জাতের কারণে লাভজনক হয়। ইতোমধ্যে অনেক চাষি এই জাতের আমবাগান গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন।

পত্নীতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে দেলোয়ারকে গৌরমতি জাতের আম চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে সব রকমের পরামর্শ এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে।

যদি কেউ গৌরমতি আমের বাগান গড়ে তুলতে চায়, তাকে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top