ভুয়া সনদে ১৫ বছর চাকরি, অবশেষে বরখাস্ত

image-464289-1631438142.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : ভুয়া শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে ১৫ বছর চাকরি করেছেন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের আয়া শাহীন আরা।বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শাহীন আরা বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার রামপুরা গ্রামের মেহের আলীর মেয়ে। এর আগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

অভিযোগে জানা গেছে, তিনি গত ২০০৬ সালে স্থানীয় উথরাইল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পাcnর সনদপত্র দিয়ে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে আয়া পদে চাকরি নেন। তবে তার ওই শিক্ষা সনদ ভুয়া এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ও বিভাগীয় তদন্ত হয়। পরে ২০২০ সালের ৬ জুন সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তদন্ত করে জানা যায়, আয়া শাহীন আরার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষা সনদটি ভুয়া। এর পর সিভিল সার্জন ২০ সেপ্টেম্বর তদন্ত রিপোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেন। এ ছাড়া আদমদীঘি থানার এসআই মোজাফ্ফর হোসেন তদন্ত করে একই ফল পেয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তাও এ বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন।

দুই তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. শেখ মোহাম্মদ হাসান ইমাম স্বাক্ষরিত পত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের আয়া শাহীন আরাকে ১০১৮ সালের বিধি-৪, উপবিধি ৩(ঘ) মোতাবেক সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ২৭ (১) আদেশ জারির জন্য বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ মহসিন গত ৬ সেপ্টেম্বর শাহীন আরাকে আয়ার পদ থেকে বরখাস্তের আদেশ জারি করেন।

এ বিষয়ে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শাহীন আরা আয়া পদে নেই। তিনি ভুয়া সনদে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকরি করে সরকারি বেতনভাতা গ্রহণ করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এদিকে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখার কারণে এ প্রসঙ্গে শাহীন আরার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top