মধ্যরাতে বাজারে আগুন, পুড়ল ১৪ দোকান

image-387175-1611464654.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল বাজারের ১৪টি দোকান। স্থানীয়রা পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসার আগে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নাঙ্গলকোট উপজেলার ৭ নম্বর হেসাখাল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, রাত ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনে বাজারের মুদি, কনফেকশনারি, ওষুধ ও হাস-মুরগির খাদ্যের দোকানসহ ১৪টি দোকান পুড়ে যায়।

আগুনে মা ফার্মেসির সব ওষুধ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী আজিজুল হক মাইন বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টায় আগুনের খবর পাই। এ ঘটনার এক ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসে। ততক্ষণে চোখের সামনে পুরো দোকানটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ’ কসমেটিকস ব্যবসায়ী সারোয়ার আলম বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল। এই ক্ষতি কেমনে কাটিয়ে উঠব!’

লাকসাম ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘ঘটনা শুনে আমরা একটি ইউনিট দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অধিকতর তদন্তে নিশ্চিত হতে পারব কী কারণে আগুনের সূত্রপাত। ’

প্রসঙ্গত, নাঙ্গলকোট উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস নেই। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় লাকসাম উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আর এ কারণেই নাঙ্গলকোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। এর আগেও নাঙ্গলকোটের শ্রীহাস্য বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবিতে ফেসবুকে সরব রয়েছে নাঙ্গলকোটের মানুষ।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top