শিশুপার্কের কাজ শেষ হতে আরও ২ বছর সময় লাগতে পারে : মেয়র তাপস

untitled-4-20220804171621.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমরা শিশুপার্কটির নামকরণ করব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জাতীয় শিশু পার্ক। পার্কটি নির্মাণের কাজ দীর্ঘসূত্রীতায় পরে গিয়েছিল। তবে এখন এটার সমাধান হয়েছে।

তিনি বলেন, শিশুপার্কটির কাজ করতে গিয়ে তিনটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পড়েছিল প্রকল্পটি। এসব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা বারবার বসেছি, বৈঠক করেছি। এখন সব ঠিক হয়েছে। আমরা চলতি বছরে দরপত্রের কাজ শেষ করে এরপর সার্বিক কাজ শুরু করব। তবে শিশু পার্কটির কাজ শেষ হতে আরও দুই বছর সময় লেগে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, শিশুপার্কটির কাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঢাকা শহরে আমাদের সন্তানদের জন্য বিনোদনের তেমন জায়গা নেই। তাই শিশুপার্কটিকে ঘিরে আমাদের আধুনিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে আধুনিক সব ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন ধরনের সব রাইডের ব্যবস্থা শিশুপার্কে রাখতে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এর আগে তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে বিগত ২ বছরে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে লক্ষ্মীবাজার খেলার মাঠ, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে টিকাটুলি খেলার মাঠ, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে আলমগঞ্জ খেলার মাঠের উন্নয়নের পর তা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে বকশিবাজার খেলার মাঠের উন্নয়ন কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী ধুপখোলা মাঠটি দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে ছিল। আমরা ধুপখোলা খেলার মাঠের উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের একটি ফুটবল মাঠ, মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে শিশুদের খেলার জন্য আলাদা স্থান এবং একটি বাস্কেটবল মাঠ প্রতিষ্ঠা করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মেয়র তাপস বলেন, এছাড়া নাম ‘মুক্তাঙ্গন’ হলেও দখলদারদের কবল হতে মুক্তি মেলেনি জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন নানা ঘটনাপ্রবাহের সাক্ষী হয়ে থাকা ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের উন্মুক্ত স্থানটির। আমরা সেখানে সব ধরনের দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে বাস্কেটবল মাঠসহ আরও বেশ কিছু অনুষঙ্গে উন্মুক্ত স্থানটিকে মুক্তভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। অন্যদিকে ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে মেন্দিপুর খেলার মাঠ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাসাবো বালুর মাঠ এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভূইয়ার মাঠের উন্নয়নে আমাদের কর্মযজ্ঞ চলমান রয়েছে। উন্নয়নের পর সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ শেখ রাসেল পার্ক, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মতিঝিল পার্ক, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মালিটোলা উদ্যানসহ আরও বেশ কয়েকটি মাঠ ও উদ্যান।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top