শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

press-20220804132106.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : আশির দশকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার ছিল। ১৯৯১ সালের পর থেকে সেই পুরস্কার প্রদান স্থগিত হয়ে যায়। গত বছর থেকে এই পুরস্কার আবার চালু হয়েছে শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার হিসেবে।

এই বছর ৭ ক্যাটাগরিতে ১১ জন ব্যক্তি ও সংস্থা পুরস্কার পাচ্ছেন। আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পুরস্কারের তালিকা ঘোষণা করেন। প্রতি ব্যক্তি/সংস্থা ১ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা পদক পাবেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কারের সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের পার্থক্য নিরুপণ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার বর্তমান খেলোয়াড়দের বিবেচনা করা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে সাবেক খেলোয়াড়দের বিবেচনা করা হয়।’

গত বছর শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। যিনি স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে। এবার আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন হারুনুর রশীদ। যিনি ১৯৯৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন। আজীবন সম্মাননায় উঁচু স্তরের পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার দেয়ার কারণ সম্পর্কে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজীবন সম্মাননা একজন ব্যক্তির সারা জীবনের স্বীকৃতি। তাই এই ক্যাটাগরিকে আমরা বিশেষভাবে বিবেচনা করি। অন্য ক্যাটাগরিতে কিন্তু যারা জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন তাদের বিবেচনা করা হয় না।’

আরও পড়ুন : যে দোয়া পড়লে অনবরত সওয়াব লেখা হয়

এই বছর ক্রীড়াবিদ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন ক্রিকেটার লিটন দাস, ভারোত্তোলক মোল্লা সাবিরা ও শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকী। ক্রীড়াবিদদের মনোনীত করার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে। খেলোয়াড়, সংগঠক, পৃষ্ঠপোষক, সাংবাদিক ক্যাটাগরি থাকলেও রেফারি-কোচদের জন্য কোনো ক্যাটাগরি নেই।’ এই প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই আমরা রেফারি, আম্পায়ার, কোচদের বিষয় বিবেচনা করব।’ বাংলাদেশে ক্রীড়াঙ্গনে কাজ করা বিদেশি ব্যক্তিদের পুরস্কার প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের।

ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পুরস্কার জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবেদন করা বাধ্যতামূলক। শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কারে আবেদনের বাইরেও পুরস্কার পেয়েছে, ‘আবেদন করে পুরস্কার নেওয়ার ব্যাপারে অনেক আলোচনা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার যেহেতু মন্ত্রীপরিষদে অনুমোদিত তাই সেখানে আবেদনের বাইরে পুরস্কার দেয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কারে আবেদনের বাইরেও পুরস্কার দিয়েছি’-বলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

আজীবন সম্মাননা : হারুনুর রশিদ।সংগঠক : সাইদুর রহমান প্যাটেল ও নাজমা।ক্রীড়াবিদ : লিটন কুমার দাস,  আব্দুল্লাহ হেল বাকী, ও মোল্লা সাবিরা।উদীয়মান : দিয়া সিদ্দিকী ও শরিফুল ইসলাম ।পৃষ্ঠপোষক : গ্রিন ডেলটা ।সাংবাদিক : কাশীনাথ বসাক।সংস্থা : বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top