গুপ্তা ইনফোটেককে লাখ টাকা জরিমানা

0801-20220803184639.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : গুপ্তা ইনফোটেক ইন্দো বাংলা ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের ইলেকট্রনিক পণ্য সানফ্লাওয়ারের বিএসটিআই অনুমোদন না থাকা, প্যাকেটের গায়ে মূল্য লেখা না থাকা এবং ঠিকানা না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকায় ষড়ঋতু টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ওই ভবনে অবৈধ তার তৈরির তিনটি কারখানা পাওয়ায় সেগুলো সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও মো. শরিফুল ইসলাম।

অভিযানে দেখা যায়, ভবনের ছাদে অবৈধ তারের তিনটি কারখানা রয়েছে। এ ছাড়া, মাল্টিপ্লাগ তৈরির দুটি কারখানাও রয়েছে। তবে কারখানা মালিকদের সেখানে পাওয়া যায়নি। তারা কোনো বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি।

সেখান থেকে আলামত হিসেবে কিছু মালামাল জব্দ করা হয়। পরে ভবন মালিকের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে গুপ্তা ইনফোটেক ইন্দো বাংলা ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের সানফ্লাওয়ার পণ্য পায় আভিযানিক দল। পরে সেখান থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

বৃহস্পতিবার সানফ্লাওয়ার কোম্পানির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবং সেসব অবৈধ কারখানা মালিকদের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে। গুপ্তা ইনফোটেক ইন্দো বাংলা ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডকে অতি দ্রুত অনুমোদনসহ মোড়ক পরিবর্তন করতে বলা হয়েছে।

অভিযান শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নবাবপুর এসে আমরা অবৈধ কেবল ও বাল্ব তৈরির কারখানা সন্ধান পাই।

তিনি বলেন, এখানে গুপ্তা ইনফোটেক নিম্নমানের বাল্ব তৈরি করছে, যাদের বিএসটিআইয়ের কোনো অনুমোদন নেই। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অবৈধ কেবল প্রস্তুতকারকদের আগামীকাল সকাল ৯টায় অফিসে এসে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে, দুপুর ১২টায় মিরপুর রোডে নিউ ওয়েজ সার্ভিস স্টেশনে (ঢাকা কলেজের বিপরীত পাশে) অভিযান শুরু করে অধিদপ্তর। সেখানে তিনটি ইউনিট পর্যবেক্ষণ করে আভিযানিক দল। সেখানে কোনো কারচুপি ধরা পড়েনি। তবে ডিজেল ইউনিটে তেল বেশি দেওয়ার মতো ত্রুটি দেখা গেছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মেয়াদ ছিল না। প্রতিষ্ঠানটিকে কোনো জরিমানা না করে সতর্কতা অবলম্বন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরে নীলক্ষেত মোড়ে মেসার্স পথের বন্ধু ফিলিং স্টেশন এবং মৎস্যভবন মোড়ে রমনা পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে কোনো কারচুপি পাওয়া যায়নি। পরে পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকায় অভিযান শুরু করে আভিযানিক দলটি।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top