বিনিয়োগ কমেছে সঞ্চয়পত্রে

Screenshot_2020-08-03-বিনিয়োগ-কমেছে-সঞ্চয়পত্রে-1.png

বিগত কয়েক বছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে (২০১৯-২০) সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে। এর মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ছিল ৪৯ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

করোনার কারণে অনেক মধ্যবিত্ত সঞ্চয় করছেন না উল্টো তাদের হাতে থাকা সঞ্চয়পত্র বিক্রি করছেন। পাশাপাশি অতিমাত্রায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে নানা শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। এসব কারণে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমে গেছে।

জানা গেছে, গত কয়েক বছরে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সরকার এ খাতের ওপর বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধ আরোপ করে। আগে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য কোনো ক্রেতাকে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিআইএন জমা দিতে হতো না। কিন্তু এখন এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে কর শনাক্তকরণ নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দুর্নীতি কিংবা অপ্রদর্শিত আয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা বন্ধ করতে ক্রেতার তথ্যের একটি ডাটাবেসে সংরক্ষণের লক্ষ্যে অভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই সঙ্গে সঞ্চয়পত্রে বড় বিনিয়োগে কঠোর হয়েছে সরকার। চাইলেই ভবিষ্যৎ তহবিল বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থে সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ নেই।

অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ হয়েছে তিন হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। এতে করে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের পুঞ্জিভূত ঋণ দাঁড়িয়েছে তিন লাখ দুই হাজার ১৩৪ কোটি টাকা। যা আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ছিল দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা।

এদিকে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। বিশাল ঘাটতি মেটাতে এবার সঞ্চয়পত্র থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। গত অর্থবছরে বাজেটে  লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ কোটি টাকা।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: নিরাপত্তা সতর্কতা!!!