গাজীপুরে অরক্ষিত রেলক্রসিং, ৭ মাসে মৃত্যু অর্ধশত

Untitled-4-2208030643.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : অরক্ষিত রেলক্রসিং ও মানুষের অসচেতনতায় চলতি বছরের সাত মাসে গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর জন্য রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ট্রেন লাইনের ওপর দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অসাবধানতাকেই দায়ী করছেন।

রেলওয়ে পুলিশের তথ্য মতে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত টঙ্গী, জয়দেবপুর, মির্জাপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও পূবাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কালিয়াকৈরে ভান্নারা, রতনপুর, ভাওয়াল মির্জাপুর, টঙ্গীর আরিচপুর বউ বাজার, মধুমতী রেলগেট, বনমালা রেলগেট, হায়দ্রাবাদ এলাকায় অধিকাংশ অরক্ষিত রেলক্রসিং।

এসব ক্রসিং দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই মানুষ পারাপার করছেন।সাধারণ মানুষজন বলেন, অধিকাংশ রেললাইন অরক্ষিত, গেটম্যানের গাফিলতি, রেললাইনের পাশে অস্থায়ী দোকান ও বাজার গড়ে উঠেছে। ফলে ট্রেন আসছে কিনা সে বিষয়ে কিছু বোঝা যায় না। এসময় লাইন পার হতে গিয়ে অনেক মানুষ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যাচ্ছেন। এছাড়া কানে হেডফোন লাগিয়ে রেল লাইনে চলাচলের সময়ও অনেকের মৃত্যু হচ্ছে।

আরও পড়ুন : মায়ার্সকে ছাপিয়ে নায়ক সূর্যকুমার

টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘চলতি বছরে টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশের আওতাধীন এরিয়ায় ১৬ থেকে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এদের মধ্যে অনেকেই নেশায় আসক্ত ছিলেন। এছাড়াও কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন ধরে চলাচল করার সময়েও অনেকের মৃত্যু হয়েছে।’ ট্রেন আসতে দেখেও অনেকে না দাঁড়িয়ে রেল ক্রসিং অকিক্রমের চেষ্টা করেন।

ফলে ঘটে যাই দুর্ঘটনা ।জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘১৮ জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত জয়দেবপুর থেকে কালিয়াকৈর ও শ্রীপুরের একাংশ থেকে ৩২ টি ট্রেনে কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top