আদা চাষে সাফল্যের হাতছানি

Untitled-5-2207250622.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধিকরা জনপ্রিয় এক মশলাজাতীয় ফসল হলো আদা। ভেষজ গুণে ভরপুর আদা কাঁচা ও শুকনো দু’ভাবেই ব্যবহার করা যায়। তাই সারা বছর ক্রেতাদের কাছে এর চাহিদা থাকে তুঙ্গে। চাহিদার কথা মাথায় রেখে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় এবং বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বস্তায় মাটি ভরাট করে আদা লাগাতে শুরু করেন সাংবাদিক নিতাই রায়। নিজের শ্রমেই নিতাই এখন গড়ে তুলেছেন সাড়ে চার হাজার বস্তাসম্বলিত একটি আদার ক্ষেত।

সাংবাদিক নিতাইয়ের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নে। নিতাই রায় বলেন, `অবসর সময় বসে না থেকে কৃষি বিভাগের পরামর্শে বাড়ির চারপাশে বস্তায় করে আদার গাছ লাগিয়েছি। এতে ব্যায় হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ৫০ থেকে ৬০ দিন বয়সী প্রতিটি বস্তায় ১০ থেকে ১৫টি আদার গাছ জন্ম নিয়েছে।‘

তিনি আরো বলেন, ‘কৃষি বিভাগ আমাকে জানায়, প্রতিটি বস্তায় প্রায় এক কেজি করে আদা উৎপাদন হবে। ফলে আশা করছি সাড়ে চার হাজার বস্তায় প্রায় সাড়ে ৪টন আদা উৎপাদন হবে। এতে আমার আয় হবে প্রায় চার লাখ টাকা।’কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে রংপুর জেলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আদা চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ হেক্টর জমিতে ব্যাগিং পদ্ধতি অর্থাৎ বস্তায় মাটি ভরাট করে আদা চাষ হয়েছে। ফলন প্রায় দ্বিগুন বেশি হওয়ায় দিন দিন এই পদ্ধতিতে আদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

আরও পড়ুন : নিম্ন-মধ্যবিত্তরা ফ্ল্যাট কিনতে পাবেন ৩০ লাখ টাকার ঋণ

এদিকে, এক সঙ্গে সাড়ে চার হাজার বস্তায় আদা চাষ করে এলাকাবাসীর মধ্যে সাড়া ফেলেছেন নিতাই। তার তার এই আদার খামার দেখতে প্রতিদিনই প্রচুর সংখ্যক লোকজন আসছেন বিভিন্ন স্থান থেকে। কাউনিয়া উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, সাংবাদিক হয়েও অবসরে কঠোর পরিশ্রম করে যেভাবে আদার এই খামার গড়ে তুলেছেন নিতাই তা এই উপজেলার অনেক উদ্যোক্তার অনুপ্রেরণার কারণ হবে। যেভাবে বস্তায় আদার গাছগুলো থোকায় থোকায় গজিয়েছে তাতে একেকটি বস্তায় এক কেজি করে আদা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি এখান থেকে একটা ভালো অঙ্কের টাকা আয় হবে নিতাইয়ের।’

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top