দেশে নারীর তুলনায় পুরুষের মৃত্যু সাড়ে তিন গুণের বেশি

1837083_Covid-19.jpg

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪২ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ২ হাজার ৭৫১ জনের মৃত্যু হল। এদিন ২ হাজার ৭৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জনে। ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮০৫ জনসহ এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৭ হাজার ২০২ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়াদের মধ্যে ২ হাজার ১৬৮ জন পুরুষ এবং নারী ৫৮৩ জন। দেশে করোনায় পুরুষের মৃত্যু নারীর মৃত্যুর চেয়ে সাড়ে তিন গুণের বেশি।

বুধবার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় ৮০টি পরীক্ষাগারে ১১ হাজার ৯৭৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১২ হাজার ৫০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৬০৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৯ শতাংশ।

অধ্যাপক নাসিমা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন এবং নারী ১২ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের আটজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ১৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের তিনজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের তিনজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের একজন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে দুইজন, বরিশাল বিভাগে দুইজন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, সিলেট বিভাগে তিনজন এবং খুলনা বিভাগে তিনজন। তাদের ৩৭ জন হাসপাতালে এবং বাসায় পাঁচজন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৮২৪ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৭৯৬ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৬৯৯ জন এবং এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৭৭৮ জন ছাড় পেয়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪৪ হাজার ৫০৪ জন। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৪২৯ জনকে। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৩২ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৪৫২ জন এবং এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৬ জন ছাড় পেয়েছেন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৯ হাজার ৫৬ জন।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন। মাস্ক পরার বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সবাই মাস্ক পরুন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: নিরাপত্তা সতর্কতা!!!