এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স কী?

image-565524-1655956565.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : এন্টিবায়োটিক রেজিষ্টেন্স চিকিৎসা বিজ্ঞানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। যখন ব্যাক্টেরিয়ার উপর এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা থাকে না তখনই জীবাণুর বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো উপায় থাকে না। এমন ক্ষেত্রে অনেক সময় মৃত্যু অবধারিত হয়ে উঠে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর ৭ লাখ মানুষ মারা যায় এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে।

কয়েকটি কারণে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স হতে পারে। সাধারণত প্রয়োজনের অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক সেবনে অথবা ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন করে দেওয়া ডোজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই তা ছেড়ে দিলে শরীরের ব্যাকটেরিয়া মিউটেটেড বা পরিবর্তিত হয়ে শক্তিশালী ব্যাক্টেরিয়ায় রূপান্তরিত হয় যার উপর এন্টিবায়োটিকের কোনো প্রভাব পরে না।

কিছুদিন আগে এক শিশুর শরীরে ক্লেবসিলা ব্যাকটেরিয়া থেকে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স পাওয়া গেছে। ক্লেবসিলা, যাকে সাধারণত খুবই অকার্যকর ব্যাকটেরিয়া হিসেবে ধরে নেয়া হয়, ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে এটি রেজিস্টেন্স তৈরি করেছে, যার বিরুদ্ধে কোনো এন্টিবায়োটিক অথবা ড্রাগ কাজ করছে না।

আরও পড়ুন : বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সিলেট যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের জনসাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. রাইয়াতুন তেহরিনকে এ বিষয়ে আমাদের করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, প্রথমে আমাদের বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া উচিত মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার বিষয়ে। আরও বেশি পাবলিক ক্যাম্পেইন করার বিষয়ে তিনি মত দেন। ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধের ডোজ সঠিকভাবে সম্পূর্ণ করার বিষয়টি তিনি সবাইকে গুরুত্ব সহকারে নিতে অনুরোধ করেছেন।

সঠিকভাবে মানুষের মধ্যে সচেতনতা, সরকারি উদ্যোগ, বর্তমানে ওষুধ সেবন করার বিষয়ে যথার্থ জ্ঞান ও তার প্রয়োগ এবং পরিকল্পনাভিত্তিকভাবে দীর্ঘ মেয়াদি রিসার্চ করার মাধ্যমে এই ভয়াবহ অভিশাপ থেকে মানবজাতি পরিত্রাণ পাবে বলে তিনি মনে করেন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top