কোথায় নেই শুকনা জায়গা, ৫ দিন পড়ে আছে দুই মরদেহ

sunamganj-20220621194947.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : বন্যার পানিতে আশ্রয়হীন হয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে ইব্রাহিম মিয়া ও তার পরিবার। ঘরবাড়িও ভেসে গেছে পানিতে। এর মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে শুরু হয়েছে শোকের মাতম। দীর্ঘদিন রোগে ভোগা ইব্রাহিমের বাবা আশরাফ আলী (৮৫) মারা গেছেন।

নৌকা না থাকায় বাবাকে নিতে পারেননি হাসপাতালে। একদিকে ঘরবাড়ি নেই, চারপাশে থইথই করছে পানি, অন্যদিকে বাবাকে হারিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না রিকশাচালক ইব্রাহিম। তাই বাবার মরদেহ পলিথিনে মুড়ে বক্সের ভেতর রেখে কবরস্থানে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছেন পাঁচ দিন ধরে। পানি নামলে মাটিতে শুইয়ে রাখবেন, এই আশায় আছেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ইব্রাহিম জানান, গত ১৭ জুন (শুক্রবার) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় তার বাবা মারা যান। সর্বত্র বন্যার পানি থাকায় নিজের বাবার মরদেহ দাফন করতে না পারায় বাক্সবন্দি করে রেখেছেন।

একই গ্রামে একই দিন মৃত্যু হয় সাজুর মিয়ার। তিনি ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ আসার পথে মারা যান। বন্যার খবর শোনার পর তিনি নাতিকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন বাড়ি থেকে। পথে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ বন্যার কারণে আটকে যায় তাদের গাড়ি। পরে সেখানেই স্ট্রোক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

বিস্তারিত আসছে…

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top