খুলনা বিভাগে ভারি বর্ষণের শঙ্কা, হুঁশিয়ারি সর্তকতা সংকেত

image-550640-1652459757.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের মধ্যে গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হওয়ায় খুলনাসহ সাত বিভাগে অতি ভারি বৃষ্টি বা বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া ১৬টি অঞ্চলে কালবৈশাখী বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সর্তকতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রণে বাংলাদেশ অঞ্চলে গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তীসময়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি (২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার) থেকে অতিভারি (৮৯ মিলিমিটার বা এর বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ সৃষ্টি হওয়ায় গত ৯ মে থেকে দেশে বৃষ্টি শুরু হয়। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টিপাত বেশি ছিল, কম ছিল উত্তরাঞ্চলে। এখন উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেড়ে গেছে, আর উপকূলীয় অঞ্চলে কমে গেছে। রোববার থেকে বৃষ্টিপাত কমে যেতে পারে। তবে আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে আবার বৃষ্টি বেড়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে দিনাজপুরে, সেখানে ২০১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ে ঢাকায় এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্র বৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের অন্যত্র পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্র-বৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ও এর কাছাকাছি এলাকার অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও এর কাছাকাছি এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও পরবর্তীতে লঘুচাপে পরিণত হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top