ডুমুরিয়ায় আটক তিন ডাকাতের স্বীকারোক্তি

.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক, prabartan | প্রকাশিত: ১৯:৫৩, ০৮- ০৩-১৯

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চাকুন্দিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার দিনগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার চাকুন্দিয়া গ্রামের দোতলার বাড়ির গ্রিল কেটে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের কোপে ওই গৃহকর্তা নারায়ণ রাহা (৭১) গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় জনতা ও পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তিন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর তারা স্থানীয় জনতা ও পুলিশের কাছে ডাকাতির বিষয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। র্দীর্ঘ দিন ধরে তারা ডাকাতির সাথে জড়িত বলেও জানিয়েছে। তাদের সাথে ডাকাতিতে আর কারা কারা রয়েছে তা উদঘাটনে ডুমুরিয়া থানা পুলিশ প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছে।

ডাকাতরা পরিবারের সবাইকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকাসহ ১১ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে বলে দাবি ভুক্তভোগী আহত গৃহকর্তার।

গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হচ্ছে- খুলনার তেরখাদা উপজেলার উত্তর মোকামপুর গ্রামের মোতালেব খাঁ’র পুত্র সেলিম খাঁ (৪৫), খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ বসুপাড়া এলাকার মৃত কাওছারের পুত্র লিটন (৫০) ও একই এলাকার মৃত হোসেন শেখের পুত্র বাবুল শেখ (৪০)। এর মধ্যে লিটন ও বাবুল শেখের অবস্থা গুরুতর। তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত গৃহকর্তা নারায়ণ জানান, রাতে পাঁচ থেকে ছয়জনের একদল ডাকাত দোতলার জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকেন। তারা পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলেন। পরে দুই বছরের শিশুর গলায় অস্ত্র ধরে আলমারির চাবি নিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ১১ লাখ টাকার মালামাল লুট করে যাওয়ার সময় তাকে পিটিয়ে আহত করেন। ডাকাতরা পালানোর সময় পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

খুলনার ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, এ ঘটনায় তিন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের কোপে গৃহকর্তা ও স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে দুই ডাকাত আহত হয়েছে। আশংকাজনক অবস্থায় দু’ ডাকাতকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top