পরিষ্কার ডেস্কটপ থেকে কাজ শুরু করলে মনটাও ফ্রেশ থাকে

-ডেস্কটপ-থেকে-কাজ-শুরু-করলে-মনটাও-ফ্রেশ-থাকে.jpg

পরিষ্কার ডেস্কটপ থেকে কাজ শুরু করলে মনটাও ফ্রেশ থাকে

ডেস্ক রিপোর্ট, prabartan | প্রকাশিত: ১৯:৪১, ০২-০৩-১৯

টুকিটাকি কিছু কাজ করতে কম্পিউটার খুলে বসলেন, আর সাথে সাথেই মেজাজটা গেলো খারাপ হয়ে! এর কারণটা হলো ‘ডিজিটাল ক্লাটার’। অর্থাৎ আপনার কম্পিউটারের ভেতরের জিনিসগুলো খুব অগোছালো, কোনো কিছু জায়গামতো নেই, ফলে কাজ করতে গেলে ক্রমশ বাড়তেই থাকে আপনার বিরক্তি। শুধু ঘর গুছালেই হবে না, গুছিয়ে ফেলতে হবে কম্পিউটার এমনকি ফোনের ভেতরটাও! কীভাবে তা করবেন

১) ডেস্কটপ পরিষ্কার করুন:

একটা পরিষ্কার ডেস্কটপ হলো খালি একটা ব্ল্যাকবোর্ডের মতো। পরিষ্কার ডেস্কটপ থেকে কাজ শুরু করলে আপনার মনটাও ফ্রেশ থাকবে। তাই ডেস্কটপে ফেলে রাখা ফাইলগুলো দরকারি হলে কম্পিউটারের অন্য কোনো ড্রাইভে গুছিয়ে রাখুন। অদরকারি হলে ডিলিট করে ফেলুন।

২) ডাউনলোড ফোল্ডার পরীক্ষা করুন:

কম্পিউটারের বাকি এলাকা মোটামুটি গোছানো থাকলেও ডাউনলোডস ফোল্ডারে গেলে আত্মা শুকিয়ে আসে। সেই কবেকার ডাউনলোড করা বাসি ছবি এখনো পড়ে আছে অনেকটা জায়গা দখল করে। পুরো ডাউনলোডস ফোল্ডার ধরে ডিলিট করার সাহস কারোই হয় না, যদি দরকারি কোনো ফাইল থাকে এই ভেবে। সে কারণেই একটু সময় নিয়ে ফোল্ডারটা ঘাঁটুন। কিছু ফাইল একবার ব্যবহারের পর অদরকারি হয়ে পড়ে, সেগুলো ডিলিট করুন। দরকারি ফাইল এখান থেকে সরিয়ে অন্য ড্রাইভে সাজিয়ে নিন। এতে নতুন ফাইল ডাউনলোড করলে খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

৩) অদরকারি শর্টকাট ও এক্সটেনশনকে বিদায় দিন:

অনেক প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময়ই একটা শর্টকাট তৈরি হয়ে ডেস্কটপে বসে থাকে, তা প্রায় কখনোই ব্যবহার হয় না। অব্যবহৃত এসব শর্টকাট ডিলিট করুন। এর পাশাপাশি অব্যবহৃত ব্রাউজার এক্সটেনশনগুলোকেও রিমুভ করুন।

৪) আবর্জনা পরিষ্কার করুন:

ডেস্কটপে থাকা ট্র্যাশ ক্যান বা রিসাইক্লিং বিনে উঁকি দিয়ে দেখুন তাতে কতশত ফাইল জমে আছে। এক ধাক্কায় এগুলোকে ডিলিট করে দিন। দেখবেন সাথে সাথেই মনটা হালকা লাগছে।

৫) ব্যবহার করুন একটি ক্লাউড সার্ভিস:

দরকারি ছবিগুলো কোথায় রেখেছেন? ড্রপবক্সে, ওয়ানড্রাইভে নাকি গুগল ড্রাইভে? এটা মনে করতে করতেই অনেকে চিন্তায় পড়ে যান। এত চিন্তা না করে একটি ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করুন। দরকারি সব ফাইল সেখানেই সরিয়ে নিন। এরপর আর চিন্তায় পড়তে হবে না।

৬) ফোল্ডার বাছাই করুন:

অদরকারি ফাইল ডিলিট এবং দরকারি ফাইল জায়গামত রাখার পর ফোল্ডারগুলোকে একটু ঘেঁটে দেখুন। অবাক হয়ে দেখবেন অনেক ফোল্ডার আছে যা একদম খালি। এগুলোকে ডিলিট করুন। অনেক সময়ে একই ফাইল থাকে একাধিক ফোল্ডারে। এগুলো সাজিয়ে নিন। একদিনে সব সাজিয়ে নিতে না পারলে তিন ধরনের ফোল্ডার আলাদা করে রাখুন। ১) কর্মক্ষেত্র বা পড়াশোনার জিনিস যেমন প্রেজেন্টেশন, পিডিএফ, রেজুমি ইত্যাদি, ২) পারিবারিক জিনিস যেমন ছবি এবং ভিডিও, ৩) বাকি সব জিনিস যেমন গান ও সিনেমা।  পরে সময় পেলে এই তিনটি ফোল্ডারকে আরও গুছিয়ে নিতে পারবেন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top