গণশুনানীতে গণ ঘুম!

8a140c234df7f960f7f7332b83a803b9.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট, prabartan | প্রকাশিত: ১৮:৫৪, ২৩-০২-১৯

 

বেশ ঘটা করেই গণশুনানীর আয়োজন করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বয়কট করে নির্বাচন কমিশনকে অনাস্থা জানিয়ে গণশুনানীর আয়োজন করে ঐক্যফ্রন্ট। সারাদেশের ঐক্যফ্রন্টের ৫৪ জন প্রতিনিধি এ শুনানীতে অংশ নেন। বিএনপির প্রার্থীরা জোরালোভাবে গনশুনানীতে অংশ নিলেও বিপত্তি হয় অন্য জায়গায়। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবি মিলনায়তনে এ গণশুনানীর আয়োজন করা হলেও বিচারক প্যানেলে যারা ছিলেন তারা সবাই ছিলেন নিদ্রাচ্ছন্ন এবং অমনোযোগী।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে দেখা যায় ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য যারা উপস্থিত ছিলেন শুনানী চলাকালে কমবেশি সবাই ছিলেন ঘুমমগ্ন। গণশুনানীকালে বিচারক প্যানেলে সর্বমোট ৮ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তবে এ ঘুম নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরী হয় বিএনপি ও ২০ দলে। বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, এ ধরনের গণশুনানীর আয়োজন হাস্যকর। যেখানে সরকারের বিরুদ্ধে কোন গণমত তৈরী করা যায়নি সেখানে কেন এ গণশুনানী? তবে অধিকাংশ নেতারা এ ঘুমানো আয়োজনকে বিদ্রুপও করেছেন। বিএনপি নেত্রী শ্যামা ওবায়েদ বলেন, গণশুনানীর আয়োজনটি আরো গোছালো এবং সুন্দর হতে পারতো যদি বিএনপিকে এর সাথে সম্পৃক্ত করতে পারতো। তার মতে, যে গণশুনানী হয়েছে তা অভ্যন্তরীণ হয়েছে এতে করে সামাজিকভাবে কোন প্রতিফলন হবে না।

আর গণশুনানী বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেছেন, ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া আন্দোলনের চেষ্টা করে অগ্নি সন্ত্রাস করেছিল। জনগণ কিন্তু তাতে সায় দেয়নি। আবার তারা ২০১৮ সালে নির্বাচন করেছেন সে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। এখন গণশুনানী করে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। গণশুনানী বিষয়ে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ঘুমানোচক্রে তারা শুধু ষড়যন্ত্রই করতে পারেন।

 

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top