অজান্তে শরীরে রোগ-জীবাণু ভরা

-শরীরে-রোগ-জীবাণু-ভরা.jpg

অজান্তে শরীরে রোগ-জীবাণু ভরা

ডেস্ক রিপোর্ট, Prabartan | আপডেট: :২৫, ১৭-০২-১৯

 

প্রতিদিনই নিজেদের অজান্তে খাদ্যের সঙ্গে গ্রহণ করে যাচ্ছি নানা ধরনের বিষ। যার প্রভাব পড়ছে শরীরে। টরন্টো মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত এক জার্নালে বলা হয়েছে, মোটামুটি চারটি লক্ষণ দেখে বোঝা যেতে পারে যে শরীরে বিষের মাত্রা অত্যধিক বেড়ে গেছে। কী ধরনের লক্ষণ সেগুলি জেনে নেয়া যাক-

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ:

পাকস্থলী এবং লিভার টক্সিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পারলে মুখের ভিতর দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জমবে এবং মুখে দুর্গন্ধের কারণ ঘটাবে। নানা কৌশল নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে সাময়িক মুক্তি দেবে ঠিকই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

বার বার টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করা:

শরীরে বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিনের মাত্রাধিক্য ঘটলে মানবদেহ তা মলের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা করে। হঠাৎ করে ঘন ঘন টয়লেট যাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বেশি করে পানি ও তরল পানীয় গ্রহণ করুন। খাদ্যতালিকায় প্রোবায়োটিক খাবারের পরিমাণ বাড়ান। শরীর সুস্থ থাকবে।

যে কোনও রকম গন্ধে অস্বস্তি বোধ করা:

পারফিউম, ধোঁয়া কিংবা কোনও কড়া গন্ধে কি আপনি অস্বস্তি বোধ হয়। মাথা ভার লাগে গন্ধের চোটে শরীরে টক্সিনের মাত্রাধিক্যের কারণে এটা হতে পারে। শরীরে বিষাক্ত উপাদান বেড়ে গেলে শ্বাসনালীর পরিধি হ্রাস পায় এবং তা অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। ফলে যে কোনও রকম কড়া গন্ধেই অস্বস্তি বোধ হয়। এমনটা ঘটলে অবিলম্বে ডাক্তারের দ্বারস্থ হন।

 

কিছুতেই ওজন কমাতে না পারা:

ডায়েটিং কিংবা এক্সারসাইজ সত্ত্বেও কমছে না ওজন? শরীরে টক্সিনের মাত্রাধিক্যের লক্ষণ হতে পারে এটি। মানবদেহে বিষাক্ত উপাদানের পরিমাণ বেড়ে গেলে হরমোনগ্রন্থিগুলি যথাযথ কাজ করে না। স্বাস্থ্যকর খাবারদাবারও চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কাজেই অনেক চেষ্টা করেও যদি না কমে ওজন, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top