রক্ত দেয়াটা শুধু সেবাই নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

EEEEEEEEEEEEEEEEEEEEEEE.jpg

রক্ত দেয়াটা শুধু সেবাই নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট, Prabartan | আপডেট: ১৭:৫৫, ১৬-০২-১৯

 

সরকারি ব্লাডব্যাংক সংস্কারের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানার যেসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্ত সরবরাহ করে তাদের ল্যাব ঠিক আছে কি না- সে বিষয়ে খোঁজ রাখছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত রক্তদাতাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডাক্তার এ বি এম ইউনুস।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে ব্লাডব্যাংকের অভাব রয়েছে। যেগুলো আছে সেগুলো মানসম্মত নয়। তাই ব্লাডব্যাংকগুলোর অবস্থা ভালো করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্ত সরবরাহ করে থাকে, তাদের ল্যাব ঠিক আছে কি না- সে বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। আগামীতে এ কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। যাতে করে সুস্থ হওয়ার আশায় রক্ত নিয়ে কেউ আরও জটিল কোনো অসুখে না পড়ে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, রক্ত দেয়াটা শুধু সেবাই নয়। এর ফলে নিজের শরীরও ভালো থাকে। বাংলাদেশে শুধু সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে ১২ হাজার লোক মারা যায়। এ ছাড়া এক লাখের মতো মানুষ আহত হয়। এসব হতাহত মানুষ প্রয়োজনের সময় রক্ত পান না। অথচ একজন সুস্থ মানুষ তিন বা চার মাস পর রক্ত দিলে তার কোনো ক্ষতি হয় না। সুতরাং আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদান করলে এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা সহজে রক্ত পেতে পারে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে যে রক্তের চাহিদা তার মাত্র ৩০ শতাংশ পূরণ হয় স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে। বাকি রক্ত আসে আত্মীয়-স্বজন ও টাকার বিনিময়ে কিছু ডোনারের কাছ থেকে কিনে নেয়ার মাধ্যমে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে যারা রক্ত বিক্রি করে তাদের রক্তে অনেক ধরনের জার্ম থাকতে পারে। তাই স্বেচ্ছায় রক্তদানের মতো মহৎ কাজে আরও জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, এখন দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক এগিয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে চিকিৎসাব্যবস্থা ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসাব্যবস্থার মান উন্নয়ন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের থাকার জন্য বাড়ি গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারপরও তারা যদি নিজ এলাকায় না থাকেন তাহলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এটি আগামীতে আরও বেশি দেখতে পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, গতকাল সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি রোগী কিংবা লোকও মৃত্যুবরণ করেনি। জনগণকে এ ঐক্যতা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

 

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top