ঝুঁকিপূর্ণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা

4a29341b47e1932e2ad42fcbdf93d9fa.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট, Prabartan | প্রকাশিত: ২১:৪২ পিএম, ১৩-২-১৯

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমপারিটেক বিশ্বের মোট ৬০টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে গত সপ্তাহে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সাইবার নিরাপত্তায় বিশ্বের অনিরাপদ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশের স্মার্টফোনই ম্যালওয়ারে আক্রান্ত। এছাড়া কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ম্যালওয়ার আক্রান্তের হার ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

সাইবার নিরাপত্তার রিপোর্ট অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ আলজেরিয়া। এ তালিকায় যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, তানজানিয়া এবং উজবেকিস্তানের স্থান।

তথ্য-প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন বলেন, প্রথমেই একজন ব্যবহারকারীকে যথার্থ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। প্রথমেই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করলে প্রপার অ্যান্ড্রয়েড ডাউনলোড করবো। দ্বিতীয়ত, যখনই কোনো অ্যাপস ডাউনলোড করবো, সাইবার নিরাপত্তায় বিশ্বের অনিরাপদ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। বিশ্বের মোট ৬০টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে গত সপ্তাহে এ তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমপারিটেক।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশের স্মার্টফোনই ম্যালওয়ারে আক্রান্ত। এছাড়া কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ম্যালওয়ার আক্রান্তের হার ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।
ঐ রিপোর্ট অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ আলজেরিয়া। তালিকায় এর পর যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, তানজানিয়া এবং উজবেকিস্তানের স্থান। তথ্য-প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন বলেন, প্রথমেই একজন ব্যবহারকারীকে যথার্থ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। প্রথমেই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করলে প্রপার অ্যান্ড্রয়েড ডাউনলোড করবো। দ্বিতীয়ত, যখনই কোনো অ্যাপস ডাউনলোড করবো, এর শর্ত সমূহ পড়ে ও জেনে নামাতে হবে। এছাড়া ফোনে বা কম্পিউটারে যখনই কোন মেইল আসবে, সেটি ফিসিং মেইল কিনা নিশ্চিত না হয়ে সেটা ওপেন করা উচিত নয়। কেবল স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই নন, যেকোন কম্পিউটারেও যেকোন সময় ম্যালওয়্যার ইনস্টল হয়ে যেতে পারে।এর শর্ত সমূহ পড়ে ও জেনে নামাতে হবে।

এছাড়া ফোনে বা কম্পিউটারে যখনই কোন মেইল আসবে, সেটি ফিসিং মেইল কিনা নিশ্চিত না হয়ে সেটা ওপেন করা উচিত নয়। কেবল স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই নন, যেকোন কম্পিউটারেও যেকোন সময় ম্যালওয়্যার ইনস্টল হয়ে যেতে পারে।

 

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top