খুলনায় বৃদ্ধের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ চেয়ারম্যান বাবুলের বিরুদ্ধে

sk-press.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতী এলাকায় বয়োবৃদ্ধ মর্জিনা বেগমের সহায়-সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বাবুলের বিরুদ্ধে। জীবনের নিরাপত্তা ও পৈত্রিক জমি বুঝে পাওয়ার দাবিতে  সোমবার (২৫ জানুয়ারি) খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। আশিতিপর মর্জিনা বেগম রূপসার দেয়াড়া গ্রামের স্বামী মৃত মুহাম্মদ সরদারের স্ত্রী।

সম্মেলনে তিনি বলেন, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া দুই শত জমি তার ভাই মোঃ ইউসুফ আলী শেখ তাকে না জানিয়ে একই উপজেলার শিরগাতী গ্রামের মোঃ গফ্ফার মল্লিক ও মোঃ রহিম হাওলাদারের কাছে বিক্রি করে। স্বামীর মৃত্যুর পর এক পুত্র ও দুই কন্যাকে নিয়ে বাবার ওয়রেশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে বসবাস করছিলেন তিনি। তাকে এই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এই ঘটনায় রূপসা সহকারী আদালতে বাদী হয়ে (দেওয়ানী ৫০/৯৫) মামলা দায়ের করেন তিনি। ২০১০ সালের ৭ জুলাই আদালত থেকে রায় ডিগ্রী প্রাপ্ত হন মর্জিনা বেগম। সেই থেকে বাবার ভিটায় সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন নির্ভয়ে। আদালত জারী ২/১৪নং মামলার ডিগ্রী করে সম্পত্তি বাদী মর্জিনা বেগমের অনুকূলে বুঝে দেয়ার জন্য সার্ভেয়ারদের নির্দেশ দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাদীর সম্পত্তি সার্ভেয়ার সম্পত্তি বুঝিয়ে দেন। আসামীরা সম্পত্তির লোভ সামলাতে না পেরে ওই দিন বিকেল ৫টায় সশস্ত্র অবস্থায় লোহার রড, শাবল, বাঁশের লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা করে আমার ঘর ভেঙ্গে দেয়। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। ঘরে আলমারীতে রক্ষিত দুই লাখ টাকার অগ্রণী ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র নিয়ে যায় ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক বাবুল চেয়ারম্যান।

তিনি আরও বলেন, এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ যে বিবাদী মোঃ রহিম হাওলাদারের স্ত্রী জাহানারা বেগম চেয়ারম্যান আধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুলের গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করে। এজন্য ওরা বলে তাই করে চেয়ারম্যান। এই কারণে বিবাদী পক্ষ আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। আসামীরা আমার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে হয়রানি করছে। অনেক দপ্তরে গিয়ে কোন সহযোগিতা পাননি তিনি।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: নিরাপত্তা সতর্কতা!!!