অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করছেন? হতে পারে ত্বক ও চুলের যেসব সমস্যা

114405Capture.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রত্যেক নারীই উজ্জ্বল ও ঝলমলে ত্বক চান। কিন্তু অনেক সময় ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়ার পরেও  নিখুঁত ত্বক পাওয়া সম্ভব হয় না। বায়ুদূষণ, রাসায়নিক দ্রব্য এবং আমরা যে খাবার খাই তার সংস্পর্শে আমাদের ত্বকে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। সেই সঙ্গে মনের অবস্থাও চেহারার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অনেকে অনেক দাম দিয়ে প্রসাধনী সামগ্রী কিনে থাকেন। আবার ঘরে বানানো বিভিন্ন প্যাকও ব্যবহার করেন। কিন্তু যা-ই ব্যবহার করুন না কেন আপনি যদি দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তবে আপনি মনমতো ত্বক কখনোই পাবেন না।

দুশ্চিন্তা শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে না, সেই সঙ্গে স্কিনে ব্রণ, অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া, দাগ পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ডিপ্রেশন থেকে স্কিনের যেসব সমস্যা হতে পারে তা কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুন : কী কথা হয়েছিল সুজন ও তামিমের মধ্যে?

ডার্ক সার্কেল

চোখের নিচের অংশ সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং ত্বক নরম। অত্যধিক স্ট্রেসের ফলে ডার্ক সার্কেল তৈরি হয়। যদিও বার্ধক্যের সঙ্গে চোখের চারপাশের পেশিগুলি দুর্বল হয়ে যাওয়ার সঙ্গে এটি সাধারণ, তবে দীর্ঘস্থায়ী চাপ দ্রুত বার্ধক্য এনে দেয় এবং এতে চোখের চারিদিকে ফুলে যায়।

সংবেদনশীল ত্বক

দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস এবং অস্থির মন ত্বকে প্রদাহজনিত নিউরোপেপটাইড নিঃসরণ করে, যা ত্বককে আরো সংবেদনশীল করে তোলে। এর ফলে চুলকানি ও লাল ভাব দেখা দেয়।

ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে

স্ট্রেস ত্বকের অবস্থা যেমন সোরিয়াসিস, একজিমা, রোসেসিয়া, সেবোরোইক, ডার্মাটাইটিস, এটোপিক ডার্মাটাইটিস, প্রুরিটাস, অ্যালোপেসিয়া আরেটা ইত্যাদির মতো ত্বকের অবস্থাকে আরো খারাপ করতে পারে বা খারাপ করতে পারে।

মানসিক চাপের কারণে ব্রণ, পিম্পল এবং শুষ্ক ত্বকের সমস্যাও শুরু হয়। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ত্বকে বিশেষ করে মুখে দাগ সৃষ্টি করতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বক

স্ট্রেস তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দায়ী। এর ফলে ত্বকে হোয়াইটহেডস এবং ব্ল্যাকহেডস হয়।

রিংকেলস

ক্রমাগত স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে  ত্বকে ফ্রি র‌্যাডিকেল নিঃসৃত হয়, যা কোলাজেন এবং ইলাস্টিন ফাইবারের অবক্ষয়কে ত্বরান্বিত করে, যার ফলে বলিরেখা পড়ে দ্রুত।

অতিরিক্ত চুল পড়া

দুশ্চিন্তার কারণে ত্বকের ক্ষতির পাশাপাশি চুল পড়ে বেশি।

চুল পেকে যাওয়ার প্রবণতা

মানসিক চাপ আপনার চুলকে ধূসর করে তুলতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস আপনার চুলের বৃদ্ধি ব্যাহত করতে পারে এবং চুল পড়ে যেতে পারে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top