ফিট থাকতে নো অজুহাত

fd7863a0fcc9e6cf81afb8cea3a529d7-5c3ecaf95bea8.jpg

ফিট থাকতে নো অজুহাত

ডেস্ক রিপোর্ট, আপডেট: ০৭:২৪ পিএম, ২১-০১-২০১৯

 

 

বলিউড তারকা কারিনা কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ ও আলিয়া ভাটের সঙ্গে মাঝেমধ্যে একজন প্রশিক্ষকের ছবি দেখা যায়। তাঁদের আকর্ষণীয় ও ফিট শরীরের পেছনে এই মানুষের অবদানের কথা সব সময় বলেন তাঁরা। অনেকেই সেই তারকা ফিটনেস প্রশিক্ষক ইয়াসমিন করাচিওয়ালার নাম জানি। তারকাদের ইনস্টাগ্রামে প্রায়ই ইয়াসমিনের শরীরচর্চা (পিলাটিস) কেন্দ্র ইয়াসমিন করাচিওয়ালা’স বডি ইমেজের ছবি দেখা যায়। ফিটনেসে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা ইয়াসমিনের। ইনস্টাগ্রামে তাঁর লাখ লাখ অনুসারী। তারকাদের নিয়ে কাজ করতে করতে ইয়াসমিন করাচিওয়ালা নিজেও পিলাটিস প্রশিক্ষক হিসেবে তারকাখ্যাতি অর্জন করেছেন। সম্প্রতি তাঁর ইয়াসমিন করাচিওয়ালা’স বডি ইমেজের ফ্র্যাঞ্চাইজি চালু হয়েছে ঢাকায়। বেঙ্গল ওয়েলবিং যৌথভাবে এটি পরিচালনা করবে। ইয়াসমিন করাচিওয়ালা তাঁর পিলাটিস স্টুডিও উদ্বোধনের জন্য এসেছিলেন, ব্যস্ততার মধ্যেও ১৩ জানুয়ারি শরীরচর্চা, ডায়েট ও ওজন কমানো নিয়ে এক বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন অধুনাকে

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর যখন ‘জিরো ফিগার’ হয়েছিলেন তখন এসেছিলেন ইয়াসমিন করাচিওয়ালার কাছে। ইয়াসমিনের প্রথম তারকা প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন কারিনা। ইয়াসমিন করাচিওয়ালা ও জিনা ধাল্লার লেখা স্কাল্প অ্যান্ড শেপ: দ্য পিলাটিস ওয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আরেক বলিউড তারকা আলিয়া ভাট বলেছিলেন, তিনি ক্যাটরিনার মতো হতে চান। ইয়াসমিন যেন তাঁকে ক্যাটরিনার মতো করে দেন। ঢাকার বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের ৫০ নম্বর বাড়ির সাততলায় চালু হয়েছে ইয়াসমিন করাচিওয়ালার পিলাটিস স্টুডিও। নিজস্ব ফটোশুট শেষ করে দুপুরের খাবার খেলেন। তাঁর খাবারের তালিকায় ছিল সেদ্ধ সবজি, মুরগি, পনির ও কাঠবাদাম। কথা বলার শুরুতেই বলেন, ‘আমি যেখানেই যাই, নিজের খাবার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। বিশেষ করে বিমান ভ্রমণের সময় অন্য সময়ের চেয়ে বেশি খিদে পায়। আর অতিরিক্ত তেল-মসলার কোনো খাবার আমি খাই না।’

এটি খুবই কঠিন বিষয়। তাঁদের প্রত্যেকের লক্ষ্য আলাদা থাকে। তাঁদের লক্ষ্য শুনে–বুঝে সেই মোতাবেক আমাকে পরিকল্পনা করতে হয়। তারকারা যাতে তাঁদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করা ভীষণ পরিশ্রমের কাজ। একই সঙ্গে তাঁদের গ্ল্যামার যেন ঠিক থাকে, তা–ও ভাবনায় রাখতে হয়। তাঁরা প্রত্যেকেই খুব ব্যস্ত। তাঁদের জন্য আলাদা করে সময় বের করতে হয়। একেক সিনেমার জন্য তাঁরা একেক রকম ফিটনেস চান। ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে, তাঁরা আমার কথা মানেন। আমার কাছে তাঁরা ক্লায়েন্ট, বড় তারকা কি না সেটি মাথায় রাখি না। আমার স্টুডিওর ধরনই তাই, ব্যক্তিকে বুঝে, তাঁর জীবনযাপন বুঝে, তবেই তাঁকে ফিটনেস প্রশিক্ষণ দেওয়া। একই সঙ্গে আমি অনেক প্রশিক্ষক তৈরি করেছি, যাঁরা আমার নির্দেশমতো কাজ করেন। ওঁরা জানে, প্রশিক্ষক হিসেবে আমি বেশ কঠোর, কোনো অনিয়ম, অজুহাত মানি না। সে কারণে অসুবিধা হয় না।

 

 

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫, ২১ জানুয়ারি, ২০১৯

এএস/ডেস্ক

 

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top