দিনাজপুরে হঠাৎ বৃষ্টিতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা

image-508834-1642134756.jpg

ডেস্ক রিপোর্ট : দিনাজপুরে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের পর আবারও উত্তরের হিমেল বায়ু সক্রিয় হওয়ায় কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে পড়ছে তীব্র শীত। আগামী সপ্তাহে দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর একদিন আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। এ অঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন : শেখ হাসিনাকে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর ফোন

আবহাওয়া অফিসের এ কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টিপাতের পর হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ জনপদে উত্তরের হিমেল বায়ু সক্রিয় হয়েছে। সকালে এ বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর গতিবেগ বৃদ্ধি পেয়ে ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হয়। ইতোমধ্যে দেশের সর্বোত্তরে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আগামী সপ্তাহে দিনাজপুরেও এ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তোফাজ্জল হোসেন।

আবহাওয়া অফিসসূত্রে জানা যায়, বুধবার ২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১৮ মিলিমিটার। এ সময়ে এটি দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তিনি জানান, জানুয়ারি মাসে গত ৬ বছরে এটিই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এর আগে গত ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ২০ মিলিমিটার। এর পর গত ৫ বছরে জানুয়ারি মাসে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৯ মিলিমিটার।

চলতি পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিনাজপুরে প্রথম দফায় বৃষ্টিপাত হয়। চলতি পৌষ মাসের ১৫ তারিখেও দিনাজপুরে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ২ মিলিমিটার।এদিকে তীব্র শীতে দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। সকালে কাজের সন্ধানে বের হওয়া নিম্নআয়ের কর্মজীবী মানুষ পড়েছে বিপাকে।

ফেসবুকের সাথে কমেন্ট করুন

Share this post

PinIt

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top